এ কে এম আজহারুল ইসলাম সবুজ (গাইবান্ধা জেলা সংবাদদাতা): গাইবান্ধায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। গাইবান্ধার জুডিশিয়াল ৪র্থ আদালতের বিচারক হাসিবুজ্জামান মামলাটি নথিজাত ঘোষণা করে তিন সাংবাদিককে অব্যাহতির আদেশ দেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৯ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়াম্যাান আতাউর রহমান আতার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির খবর আনন্দ টেলিভিশন ও দৈনিক মানবজমিনে প্রকাশ হয়। পরে তা ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়ে।
এতে তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে তার জামাই এ এস এম আশরাফুল ইসলামকে বাদী করে আনন্দ টেলিভিশনের গাইবান্ধা প্রতিনিধি মিলন খন্দকার, তৎকালীন দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি সিদ্দিক আলম দয়াল (বর্তমানে দৈনিক যুগান্তর) ও সাংবাদিক রবিন সেনের বিরুদ্ধে গাইবান্ধার আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেন ।
মামলাটি দীর্ঘদিন চলার পর এটি একটি সাজানো ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে গাইবান্ধা জুডিশিয়াল ৪র্থ আদালতের বিচারক মামলাটি খারিজ করে দেন।
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আইনি সহযোগিতা করেন জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম লাছু, সাবেক পিপি মহিবুল হক সরকার মোহন, সালাহ উদ্দিন সেলিম, আনিস মোস্তফা তোতন, রুহুল আমিন রুবেল, জাহাঙ্গীর আলম, শাহ নেওয়াজ প্রমুখ। অপরদিকে, বাদীপক্ষে আইনি লড়াই করেন অ্যাডভোকেট আবু আহম্মেদ আবদুল্লা কনক।